Thursday, April 16, 2015

বিয়ের জন্য কোন জেলার ছেলেরা বর হিসেবে কেমন



বিয়ের আগে ছেলেরা অনেক টাংকি মারে। তবে বিয়ের পরে বউয়ের প্রেমে মশগুল থাকে। পরকীয়ার সম্ভাবনা কম। বেশিরভাগই পিতার ব্যবসা করতে পছন্দ করে। পড়ালেখার হার কম। খুবই মিশুক আর প্রচুর চালাক আর তারা কথায় বেশ পটু হয় তারা বেশি ভাগই বৌ বাউরা (ঢাকাইয়া শব্দ মানে হল বৌ পাগল)
বিক্রমপুর: 
তারা নিজেরা অনেক উচু জাতের মনে করে। তাই সমমর্যাদা সম্পন্ন মানুষ খুজতে হিমশিম খায়। তবে এই এলাকার মানুষ গুলো সহজ সরল। তারা ব্যবসা ভালো বুঝে এরা অন্য জেলার মেয়েদের চেয়ে ঢাকার স্থানীয় মেয়েদের সাথে আত্মীয়তায় আগ্রহী।
নারায়ণগঞ্জ:  
 তারা খুবই রসিক মনের হয়ে থাকেকিন্তু অন্যের জাঁকজমকের প্রতি হিংসা, কটুক্তি প্রকৃতই হয়ে থাকে বেশ। অন্য জেলার মেয়েদের চেয়ে স্থানীয় মেয়েদের সাথে আত্মীয়তায় আগ্রহী থাকে। একাধিক প্রেম করে থাকে
http://bdtipsall.blogspot.com/

 সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগন্জ: 
মানুষদের লেখাপড়া কম, সবাই লন্ডন যাওয়ার চিন্তা করে। হাতে কাঁচা টাকা বেশি। ধর্মভীরু, বউকে পর্দানশীল হিসাবে দেখতে ভালোবাসে। একটু অলস টাইপের। বোরকাওয়ালী মেয়ে বেশি পছন্দ করে।
চট্টগ্রাম:
 ছেলেরা মোটামোটি রক্ষণশীল। বেশিরভাগই ব্যবসায়ীর ছেলে। ব্যবসা করতেই পছন্দ করে। বউদের গয়না, শাড়ি কাপড় দিয়ে সব সময় খুশি রাখার চেষ্টা করে, ঈদ আসলে সেটা বুঝা যায়। যৌথ পরিবারে থাকতে পছন্দ করে। পরকীয়া দেখা যায় না। তবে এই জেলার মানুষদের সাথে আতিথিয়তাতে কেউ টেক্কা দিতে পারবে না।
বরিশাল: 
ছেলেরা বিয়ের আগে ভালোই টাংকিবাজ থাকে। বিয়েটা যদি বরিশালের কোনো মেয়ের সাথে হয়, তবে ভাজাভাজি সংসার। এই ছেলে যদি অন্য কোনো জেলার মেয়েকে বিয়ে করে, তবে মেয়ের এডজাস্ট করতে অনেক সময় লাগে। বিয়ের পাত্র হিসেবে অন্য জেলার মেয়েদের
কাছে বাংলাদেশে সবচেয়ে কম পছন্দের এ জেলার ছেলেরা। ফ্যামিলিগতভাবেই এ জেলার ছেলেদের সাথে মেয়ে বিয়ে দিতে অনেকেই অনাগ্রহী।
নোয়াখালি: 
 এই এলাকা সম্পর্কে বেশি বলার নাই, সবাই জানে, নোয়াখালির ছেলেরা কেমন। স্বার্থপর... তবে নিজের বউয়ের জন্য সাত সাগর পাড়ি দিতে পারে। বেশ কর্মক্ষম, পরিশ্রমী। তাই
জীবনে উন্নতি অনিবার্য।
রাজশাহী:
 এখানকার ছেলেরা একটু ল্যুজ টাইপের হয়। তবে পড়ালেখায় ভালো। বিয়ের পরে শ্বশুর বাড়ীর সাথে সম্পর্ক ভালো থাকে।
রংপুর, দিনাজপুর:
 ছেলেরা সাদামনের ঠিকই কিন্তু কৃপন। অনেকেই স্মার্ট নয় বলে এদেরকে পছন্দ করতে চায়না। তবে বিয়ের পাত্র হিসেবে ছেলে হিসেবে এরা মন্দ না
চাঁদপুর: 
 চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী। একটা সহজ জিনিসকেও জটিল করে চিন্তা করতে পছন্দ করে এই জেলার ছেলেরা। কিছুটা সন্দেহ বাতিক।
কুমিল্লা:
  মারাত্মক সন্দেহ প্রবণ, সবসময় বউকে চোখে চোখে রাখতে পছন্দ করে। ছেলেদের মধ্যে পরকীয়ার প্রবণতাও আছে। তবে ছেলেরা বিয়ের পরে শ্বশুরবাড়ীর সাথে সম্পর্ক ভালো রাখে।
ফরিদপুর:
 মানুষগুলা একটু কিপটা স্বভাবের। একবার এডজাস্ট হয়ে গেলে পরে সমস্যা হয় না।
গোপালগন্জ:
 এই জেলার ছেলেরা এক নারীতে সন্তুষ্ট নয়। প্রেম করেও একসাথে একাধিক মেয়ের সাথে। বিয়ের পরে পরকীয়ারও চান্স নিতে চায়।
খুলনা: 
 এই জেলার ছেলেরা ভেড়া টাইপের, বউ সবসময় মাথায় ছড়ি গুড়ায়, বউয়ের প্রেমে পাগল থাকে সবসময়। তবে ব্যতিক্রমও আছে; যেমন: খুলনার ছেলেরা বউ মেরে নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করে ... তাই সাবধান!
ময়মনসিংহ:
 এখানকার ছেলেরা মারাত্মক রোমান্টিক কিন্তু পরকীয়াও করতে চায়।
গাজীপুর: পড়ালেখা কম, শুধু জায়গাজমির হিসাব করতে বেশি পছন্দ করে। এক একজন অনেক পরিমাণ জায়গার মালিক। জায়গা বিক্রি করে, হোন্ডা কিনে, তাদের সব প্রভাব হলো পৈতৃকজমিকে নিয়ে। নিজে কিছু করার ইচ্ছে থাকে না।
টাঙাইল, সিরাজগ্জ:
 অনেক নদীভাঙা মানুষ আছে, যারা ঘর জামাই হতে বেশি পছন্দ করে। তবে মানুষগুলো ভালো, কিন্তু কিছু আছে টাকা ওয়ালা স্বশুর দেখে বিয়ে করে সম্পত্তির জন্য।
ঝালকাঠি, বরগুনা, পিরোজপুর: এইদিকের মানুষগুলো একটা বোকাসোকা টাইপের। কারো সাথে-পাচেও নাই। নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করে তারপরও বিয়ের পাত্র হিসেবে অন্য জেলার মেয়েদের কাছে সবচেয়ে কম পছন্দের এসব জেলার ছেলেরা।
রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এদের
মধ্যে অনেকেই আছে উপজাতি, এই সম্পর্কে আমার জানা নাই, যারা বাঙালী আছেন, তাদের অনেকেরই পূর্বপুরুষ বার্মা থেকে আগত। রুক্ষ স্বভাবের; বদমেজাজীও।
বগুড়া:
 ছেলেরা টাউট প্রকৃতির হয়। কিন্তু তাদের সবটুকু ভালোবাসা শুধু বউয়ের জন্যই থাকে।
হবিগঞ্জ:
 হবিগঞ্জের ছেলেরা অলস প্রকৃতির তবে মন ভাল, ভালবাসা পেলে ভালবাসার জন্য মরতে প্রস্তুত।
যশোর, চুয়াডাংগা: ছেলেরা চরম অলস (খালি ঘুমায়), একসাথে কয়েকটা প্রেম চালায়া যায়; মেয়ে পটাতে ওস্তাদ ... তবে ক্যারেকটার ভালো।

Saturday, April 11, 2015

অ্যান্ড্রয়েডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোপন কোড

নোকিয়া মোবাইলেযেমন *#06# কোডে EMEI নম্বর এবং *#0000# কোডে ফোনসেটের উৎপাদনের তারিখ, সংস্করণ ইত্যাদি তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু এখন তো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের যুগ। তাই আপনার প্রিয় স্মার্টফোনটির বিস্তারিত তথ্য জানতে কিছু গোপন কোড জানাটা নিশ্চয়ই খুব কাজে লাগবে। জেনে নিন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের তেমন কিছু গোপন কোড :
*#06# – IMEI নম্বর
*2767*3855#– ফ্যাক্টরি রিসেট কোড (ফোনের সব তথ্য মুছে যাবে)
*#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য
*#*#273282*255*663282*#*#* – সব মিডিয়া ফাইল ব্যাক আপ হবে
*#*#197328640#*#* – সার্ভিস টেস্ট মোড
*#*#1111#*#* – FTA সফটওয়্যার ভার্সন
*#*#1234#*#* – PDA এবং firmware ভার্সন
*#*#232339#*#* – WirelessLAN টেস্ট কোড
*#*#0842#*#* – ব্যাক লাইট ও ভাইব্রেশন টেস্ট কোড
*#12580*369 # – সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার ইনফরমেশন
*#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট কোড
*#9900# – সিস্টেম ডাম্প মোড
*#9090# – ডায়াগনস্টিক কনফিগারেশন
*#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন
*#872564# – ইউএসবি লগইন কন্ট্রোল
*#301279# – HSDPA/HSUPA কন্ট্রোল মেনু
*#7465625#– ফোন লক স্ট্যাটাস
*#*#7780#*#* – ফ্যাক্টরি রিস্টোর সেটিং, গুগলঅ্যাকাউন্টসহ সব সিস্টেম ডাটা মুছে যাবে



*2767*3855#– ফ্যাক্টরি ফরম্যাট সেটিংসহ সব ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ডাটা মুছে যাবে এবং ফার্মওয়্যার রি-ইন্সটল হবে
*#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি ইনফরমেশন
*#*#273283*255*663282*#*#* – ফাইল কপি স্ক্রিন, সব ইমেজ, সাউন্ড, ভিডিও, ভয়েস মেমো ব্যাক আপ করা যাবে
*#*#197328640#*#* – সার্ভিস মোড কোড, বিভিন্ন টেস্ট ও সেটিং বদলানোর জন্য
*#*#7594#*#* – এই কোড এন্ড কল/ পাওয়ার বাটনকে সরাসরি পাওয়ার অফ বাটনে পরিণত করবে
*#*#8255#*#* – G Talk সার্ভিস মনিটর কোড
*#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন, ক্যামেরা ফার্মওয়্যার, আপডেট অপশনটি ব্যবহার করবেন না- এতে আপনার ক্যামেরা ফাংশন বন্ধ হয়ে যাবে

W-LAN, GPS and BluetoothTest Codes:
*#*#232339#*#* OR *#*#526#*#* OR *#*#528#*#* – W-LAN টেস্ট কোড, টেস্ট শুরু করার জন্য মেনু বাটন ব্যবহার করুন
*#*#232338#*#* – ওয়াই-ফাই ম্যাক অ্যাড্রেস
*#*#1472365#*#*- জিপিএস টেস্ট
*#*#1575#*#* – আরেকটি জিপিএস টেস্ট কোড
*#*#232331#*#* – Bluetooth টেস্ট কোড
*#*#232337#*# – Bluetooth ডিভাইসই নফরমেশন
*#*#0588#*#* – প্রক্সিমিটি সেন্সর টেস্ট
*#*#0*#*#* – এলসিডি টেস্ট
*#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট
*#*#2663#*#* – টাচস্ক্রিন ভার্সন
*#*#0283#*#* – প্যাকেট লুপ ব্যাক
*#*#0673#*#* OR *#*#0289#*#* – মেলোডি টেস্ট
*#*#3264#*#* –
র‌্যাম ভার্সন টেস্ট

Monday, April 6, 2015

চোখের নিচে কালি: সমাধানের টিপস্

চোখেরনিচের ত্বক অনেক বেশি স্পর্শকাতর। এর নিচে অনেক ছোট ছোট রক্তনালি থাকে, নানা কারণে যা আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে এবং চোখের নিচের ত্বক কালো করে। এছাড়া ফ্লুইড জমা হওয়ার কারণে চোখের নিচটা ফুলে যেতে থাকে এবং চোখের নিচেকালি পড়ে।


কারণ
বয়সের ছাপ : চোখের নিচের ত্বক সবচেয়ে সংবেদনশীল ও বেশি পাতলা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরো পাতলা হয়ে যায়। এমনকি উজ্জ্বলতা হারায়।
পারিবারিক : বংশগত কারণেও অনেকের এ সমস্যা হয়।
ঘুমের ঘাটতি : পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল এবং সূর্যরশ্মির প্রভাব।
রোগব্যাধি : দীর্ঘদিন অসুখে ভুগলেও চোখের নিচে কালি পড়ে। মানসিক চাপ, অ্যালার্জি, ঠাণ্ডা বা সর্দি লাগা এ সমস্যার জন্য দায়ী।
প্রসাধন : চোখ কচলানো, চোখে বেশি প্রসাধনী ব্যবহার ও প্রসাধনী না উঠিয়ে ঘুমাতে যাওয়া। এমনকি কমদামি প্রসাধনী ব্যবহার।
কম্পিউটার বা টিভি : দীর্ঘ সময় কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা কিংবা খুব বেশি সময় ধরে টিভি দেখা।
রক্তশূন্যতা : রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া হলেও চোখের নিচে কালো দাগ হতে পারে।
গর্ভকালীন : গর্ভাবস্থা বা ঋতুচক্রের সময় চোখের নিচে কালো দাগ পড়তে পারে।
লিভারের সমস্যা : অনেক সময় যকৃতের সমস্যা কিংবা দীর্ঘদিন হজমের গোলমাল দেখা দিলে।
মানসিক চাপ : খুব বেশি চাপে থাকা বা কোনো ব্যাপার নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় থাকলে।
পানিশূন্যতা : শরীর থেকে অনেক বেশি মাত্রায় পানি বেরিয়ে গেলে ত্বক শুষ্ক এবং শরীর দুর্বল হয়ে যায়। ফলে চোখের নিচে কালি পড়ে।
পরামর্শ
* রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করুন।
* সন্ধ্যার পর চা বা কফি না খাওয়া।
* রাতে প্রচুর লবণযুক্ত খাবার না খাওয়া।
* ঘুমানোর সময় একটু উঁচু বালিশ
ব্যবহার। এটি অনেক সময় চোখের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।
* রাতে চোখের প্রসাধনী ভালো করে পরিষ্কার করে ঘুমাতে যাওয়া।
* রোদে বেরোনোর সময় কালো চশমা, ছাতা ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা।
* ঠাণ্ডা-সর্দি হলে রাতে শোবার সময় নাকের ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করুন।
* যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
* প্রচুর পানি ও দুধ পান করাতবে রাতে ঘুমানোর আগে বেশি পানি খাবেন না। কারণ বারবার বাথরুমে যাওয়ার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
* কুচি করা শসা দিয়ে গোল বল বানিয়ে চোখের ওপর রাখুন। এ অবস্থায় অন্ধকার ঘরে১০ থেকে ১৫ মিনিট থাকুন। শসার পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন আলুর কুচিও।
* কদম ফুলের পাপড়ি বেটে ৫ থেকে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এতে চোখের নিচের কালোদাগ অনেকটাই দূর হবে। এছাড়া পুদিনা পাতা বা নিমপাতাও ব্যবহার করতে পারেন।
* কালি দূর করার জন্য চোখের নিচে লাগানোর ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।
* প্রতিদিন ঘুমানোর আগে অবশ্যই মুখ পরিষ্কার করবেন।
* কোনো বিউটি পার্লারে গিয়ে প্রতি ১০ দিন পর পর হোয়াইটেনিং ফেসিয়ালও করাতে পারেন।
* চোখ কচলানো একেবারে বাদ দিন। চোখে ঠাণ্ডা সেঁক দিতে পারেন।
* প্রচুর মৌসুমি শাকসবজি আর ফলমূল খান।
* ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।
কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন
হরমোনজনিতসমস্যা বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে চোখের নিচে কালো দাগ হলে এবংফোলা যদি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে। চোখের দৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটলেঅবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাবেন।
ঘরোয়া সমাধান
শসার রস
প্রতিদিন শসার রস লাগান। চোখের চারপাশে চামড়ায় ১৫ মিনিট লাগিয়ে পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
টমেটোর রস
টমেটোথেকে রস বের করে নিন। এবার তুলার বলের সাহায্যে এই রস চোখের চারপাশেলাগান। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কালো দাগের পাশাপাশি চোখের ফোলাভাবও দূর হবে
কাঠবাদাম তেল ও দুধ
১ চা চামচ কাঠবাদাম তেল ও ১চা চামচ দুধ মিশিয়ে নিন ভালো করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পুরো মুখে লাগিয়েনিন। চোখের নিচে কালো হওয়া জায়গায় ভালো করে লাগাবেন। দাগ দূর হবে এবং ত্বকউজ্জ্বল হবে।
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা হাতে পিষে নিয়ে এর রস চোখের নিচে লাগান। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কালো দাগ দ্রুত দূর হবে।
যা করবেন না

চোখ কচলানোর অভ্যাস থাকলে বাদ দিন, এটা আপনার ত্বকের নিচের রক্তকণাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।