Friday, April 3, 2015

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকেআমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদেরশরীরে ক্যান্সারের মতোমারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কীপার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে--

১. ওষুধে ডায়াবেটিস বাড়তে পারে- সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস হয়।কিন্তু খুব কম লোকই জানেন যে, বেশ কয়েকটি ওষুধের প্রভাবে ডায়াবেটিস হতেপারে। অ্যান্টি ডিপ্রেসেন্ট, ঘুমের ওষুধ, কফ সিরাপ এবং বাচ্চাদের এডিএইচডি (অতিসক্রিয়তা) ওষুধ থেকে মধুমেহ বাড়তে পারে। এই ওষুধের প্রভাবে শরীরেইনসুলিন কমে যায়, যার ফলে ব্যক্তি মধুমেহ রোগে আক্রান্ত হয়


২. কোনোকারণ ছাড়াই লাগানো হয় কয়েকটি ভ্যাক্সিন- বেশ কয়েকটি ভ্যাক্সিন ফ্লু ভাইরাসছড়াতে সাহায্য করে, যেমন- ডিটিএপি, যা বাচ্চাদের দেওয়া হয়। তবে বিপারটিউসিসের মতো সাধারণ রোগের মোকাবিলায় এই ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়। কিন্তুডিটিএপি ভ্যাক্সিন ফুসফুসের ইনফেকশানকে আমন্ত্রণ জানায়, যা ব্যক্তির রোগপ্রতিরোধ শক্তিকে দুর্বল করে দেয়।


৩. ক্যান্সার সব সময় ক্যান্সার নয়-স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই ক্যান্সার হতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ চিকিৎসকই স্তনক্যান্সার চিনতে পারেন না। অনেক সময় স্তনে কোনো গাঁঠ বা জমাট অংশ দেখে, ক্যান্সার মনে করে তার চিকিৎসা করা হয়। যা বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ক্যান্সারহয় না। উদাহরণ স্বরুপ- হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি শুধু এই আশঙ্কায়ম্যাসেকটমি করান, যে তাঁর শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী জিন পাওয়া গিয়েছে।


৪. ওষুধেও ক্যান্সার হয়- রক্তচাপের ওষুধে ক্যান্সার সৃষ্টির সম্ভাবনা ৩ গুণবৃদ্ধি পায়। কারণ, রক্তচাপের ওষুধ শরীরে ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারেরসংখ্যা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে শরীরে কোষের মৃত্যু বেড়ে যায়। যার ফলে মৃতকোষ ক্যান্সারের সৃষ্টিতে একত্রিত হয়।
৫. অ্যাসপিরিন নিলে শরীরেইন্টারনাল ব্লিডিংয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়- হার্ট অ্যাটাক বা রক্ত জমাটবাঁধা আটকাতে যে অ্যাসপিরিন দেওয়া হয়, তা ইন্টারনাল ব্লিডিংয়ের আশঙ্কাপ্রায় ১০০ গুণ বাড়িয়ে দেয়। অ্যাসপিরিনের প্রভাবে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গদুর্বল হয়ে যায় এবং রক্ত পড়তে শুরু করে। একটি সমীক্ষায় পাওয়া গিয়েছে, যেরোগীরা দৈনিক অ্যাসপিরিন খান, তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার রোগীর ইন্টারনালব্লিডিং হয়।


৬. এক্স-রে থেকে ক্যান্সার হয়- আপনারা কি জানেন, এক্স রে-রর‌েডিয়োঅ্যাক্টিভ রশ্মি ক্যান্সার জন্ম দেয়। একটি সাধারণ এক্স রে-র ফলেশরীরের যে ক্ষতি হয়, তা সেরে উঠতে অন্তত এক বছর সময় লাগে


৭. বুকেজ্বালার ওষুধ অন্ত্রের আলসারকে আমন্ত্রণ জানায়- অনেক সময় খাবার বা জলবায়ুপরিবর্তনের ফলে ব্যক্তির পেটের অসুখ হয়এর ফলে বুকে জ্বালাও হতে পারে। এরজন্য চিকিৎসকরা অ্যান্টি-গ্যাসট্রিক ওষুধ দিয়ে থাকেন। এই ওষুধের ফলেঅন্ত্রের আলসারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। পাশাপাশি হাড় ক্ষয় পেতে শুরু করে, শরীরে ভিটামিন বি-১২ অ্যাবজর্ব করার ক্ষমতা কমে যায়। কিছু ওষুধ অসুখ সারিয়েতুলতে পারে না, তবে তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শরীরে পক্ষে খুব ক্ষতিকারক।


৮.ওষুধ এবং ল্যাব টেস্টে কমিশন পান চিকিৎসকরা- ওষুধে অনেক কমিশন পানচিকিৎসকরা। আবার কোনো বিশেষ ল্যাবরেটরিতে চিকিৎসকরা টেস্ট করানোর কথা বলেন, সেখান থেকেও ভালো কমিশন পান তাঁরা।


৯. সর্দির কোনো ওষুধ নেই- নাকেরভেতরের অংশ ফুলে গেলে সর্দি হয়। এখনও চিকিৎসা বিজ্ঞান এর কারণ খুঁজে বারকরতে পারেনি। এর কোনো কার্যকরী চিকিৎসাও খুঁজে বার করা যায়নি। সর্দি হলেচিকিৎসকরা অ্যান্টি-বায়োটিকস প্রেসক্রাইব করে থাকেনকিন্তু বেশ কয়েকটিগবেষণায় জানা গিয়েছে, ৪-৭ দিনের মধ্যে সর্দি নিজেই ঠিক হয়ে যায়সর্দিতেওষুধের কোনো প্রভাবই পড়ে না।